৪০ তম বিসিএস সিলেবাস ও বিশেষ নির্দেশাবলী

আপনারা যারা ৪০ তম বিসিএস প্রস্তুতি নেয়ার কথা ভাবছেন, শুধু আপনাদের জন্য কিছু সাজেশন। কোঠার দিন দেশ, মেধা ভিত্তিক বাংলাদেশ।বিভিন্ন কোঠা নিয়ে চিন্তা না করে নিজেকে প্রস্তুত করেন। কোঠা ছাড়াও তো অনেকের হচ্ছে।। ইংলিশ আর ম্যাথ এ একটা ভালো ব্যাসিক নিজের মধ্যে গড়ে তুলুন, যে কোন চাকরির এক্সাম এ কাজে লাগবে।। অল্প অল্প করে মনোযোগের সাথে প্রস্তুতি নিন। প্রতিদিন একটু একটু করে কচ্ছপের গতিতে আগান। নিজের মেধাকে বিকশিত করুন, ইচ্ছা আর সুযোগ কে কাজে লাগান।

বিসিএস এর চাইতে আরো অনেক ভালো চাকরী আছে, যেখানে আরো ভালো করা সম্ভব অথবা আপনার সাথে যায়।। নিজেকে এর যোগ্য করতে পারলে ভাগ্য সহায় হলে বিসিএস কিছু মানুষের হয়। তবে এর পিছনে ছুটে জীবনের মূল্যবান সময় যেন নষ্ট না হয় সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে।

৪০ তম বিসিএস সিলেবাস বিশেষ নির্দেশাবলী

 

যারা একেবারেই নতুন তারা এগুলো দিয়ে শুরু করতে পারো,  আশা করি সব চাকরির পরীক্ষায় কাজে লাগবে।

একটি বিসিএস প্রিলিমিনারি বই

বিসিএস প্রশ্নপত্র ( বিগত সালের সব)

জব সলিউশন্স

ইংলিশ ফর কম্পিটিভ এক্সাম

সাইফুরস ম্যাথ

বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা

৯ম/১০ম শ্রেণির বই

১) বাংলা ব্যাকরণ বই

২) গণিত বই

৩) বিজ্ঞান বই

৪) আইসিটি বই

৫) বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচিতি বই

আরও গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয়

প্রফেসর,ওরাকল অথবা এমপি৩।

নিয়মিত কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স  পড়া ও তা থেকে নোট লিখে রাখা।

নিয়মিত পত্রিকা পড়া ও নোট নেয়া।

সংবিধান।

ভোকাবুলারির  বই।

বাংলাদেশ ও বিশ্বের ম্যাপ ভালো করে আয়ত্তে আনা।

প্রতিদিন সকাল, দুপুর, রাত ভাগ করে এক একটা টপিক পড়তে হবে।

বিসিএস এর সিলেবাস ধরে ধরে টপিক শেষ করতে হবে।

এক  বিষয় সারাদিন পড়া যাবে না, তাহলে একঘেয়েমি চলে আসবে।

যে বিষয় গুলোতে আপনি দুর্বল সেগুলোতে বেশি সময় দিতে হবে।

প্রতিদিন ২ থেকে ৪ টি বিষয় পড়তে হবে।

একই মনমানসিকতা সম্পন্ন বন্ধুদের নিয়ে গ্রুপ করে পড়া।

সম্ভব হলে  ভালো বিসিএস কোচিং এ ভর্তি হওয়া।

যারা অনার্স ১ম/২য়/৩য় অথবা ৪র্থ বর্ষের ছাত্র/ছাত্রী, আপনারা আগে থেকেই নিজের একাডেমিক বিষয়ে ভালো ভাবে পড়াশুনা করে ভালো ফলাফল করেন।

যদি কোন কারনে ৪০ তম বিসিএস না হয় তাহলে যেন অন্য চাকরীর সুযোগ থাকে।

বিসিএস ক্যাডার হওয়াই বাংলাদেশের একমাত্র চাকরী নয়।

ডাউনলোড ৪০ তম বিসিএস সিলেবাস ও বিশেষ নির্দেশাবলী

ডাউনলোড

 

Leave a Reply