২৯ এপ্রিল গ্রহাণু ধেয়ে আসছে পৃথিবীতে-ধ্বংস হবে মানবসভ্যতা

২৯ এপ্রিল গ্রহাণু ধেয়ে আসছে পৃথিবীতে-ধ্বংস হবে মানবসভ্যতা ২৯ এপ্রিল পৃথিবী থেকে মানবসভ্যতা ধ্বংস হতে পারে। ইন্টারনেটে এসব খবর ছড়িয়ে পড়েছে। এ বিষয়ে হাদীসে কি বলা হয়েছে এবং তা পৃথিবীর জন্য কতটা ভয়ানক তা আলোচনা করব।  মার্কিন গবেষণা সংস্থা নাসা এ বিষয়ে সতর্কতা করেছে। মহাকাশে একটি গ্রহাণু রয়েছে যা পৃথিবীতে আছড়ে পড়তে পারে। এ বিষয়ে বিস্তারিত দেখে নিন।

২৯ এপ্রিল গ্রহাণু ধেয়ে আসছে পৃথিবীতে-ধ্বংস হবে মানবসভ্যতা

২৯ এপ্রিল গ্রহাণু ধেয়ে আসছে পৃথিবীতে-ধ্বংস হবে মানবসভ্যতা। গ্রহাণুটির নাম হল 52768(1998 OR2)   ধেয়ে আসছে ২৯ এপ্রিল।নাসা জানিয়েছে  এই গ্রহাণুটি আয়তনে ৪ কিলোমিটার। প্রতি ঘণ্টায় ৩১ হাজার ৩২০ কিমি গতিতে এগিয়ে আসছে গ্রহাণুটি। এই গতিতে যদি এগিয়ে আসতে থাকে তাহলে ২৯ এপ্রিল পৃথিবীর কাছে চলে আসবে।

মহান আল্লাহ দুনিয়া সৃষ্টি করেছেন। একদিন এই দুনিয়া ধ্বংস হবে এটা চিরন্তন সত্য। আজকের আলোচনার পূর্বে  হাদীস জেনে নিন-

২৯ এপ্রিল গ্রহাণু ধেয়ে আসছে পৃথিবীতে-ধ্বংস হবে মানবসভ্যতা

  • ইমাম মাহাদী আবির্ভাবের পূর্বে  রমজান মাসে কয়েকটি নিদর্শন প্রকাশিত হবে।তার মধ্যে রমজান মাসের মাঝামঝি সময়ে শুক্রবার রাতে আকাশে বিকট শব্দে আওয়াজ হওয়ার  একটি নিদর্শন ।এই নিদর্শনটি মানবজাতির জন্য একটি দুর্যোগ ও বিপদ-আপদের নিদর্শন।

রমজান মাস গুলোতে আমাদের খুবই সচেতন থাকতে হবে।অন্যথায় আমাদের গাফিলতার কারণে রাসূলের সতর্ক বাণী থাকা সত্ত্বে ও মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হবার সম্ভাবনা রয়েছে। ২৯ এপ্রিল ধেয়ে আসছে একটি গ্রহাণু যা ১৯৯৮ সালে সনাক্ত হয়েছিল।

 গ্রহাণু ধেয়ে আসছে পৃথিবীতে-মানবসভ্যতা কি ধ্বংস হবে?

২৯ এপ্রিল বিশাল গ্রহাণু ধেয়ে আসছে পৃথিবীতে-ধ্বংস হবে মানবসভ্যতা ।চলুন জেনে নেই পৃথিবী কোন ক্ষতির সম্মুখীন হবে কিনা। ২৯ এপ্রিল গ্রহাণুটি পৃথিবীর পাশ দিয়ে যাবে। এটি কি পৃথিবীকে আঘাত করবে?এটি কি ইমাম মাহাদী আগমণের দুর্যোগ পূর্ণ অবস্থা?

এই গ্রহাণুটি পৃথিবীর পাশ দিয়ে যাবে নাকি পৃথিবীকে আঘাত হানবে এটা নিয়ে শঙ্কা দেখা দিচ্ছে।আর এটা সব ধর্মের মানুষের কাছেই চলে এসেছে।হাদীসে আছে মধ্য রমজানে বিকট আওয়াজ হবে। এখন প্রশ্ন হলো বিকট আওয়াজটি কিভাবে হবে?

গ্রহাণু আসছে ২৯ এপ্রিল রমজান মাসেই।রমজান শুরু হবে ২৩ এপ্রিল থেকে।রমজান মাস শুরুর ৯ দিন পরেই গ্রহাণুটি পৃথিবীর পাশ দিয়ে যাবে। পৃথিবীকে আঘাত করলে অবশ্যই বিকট আওয়াজ হবে।আমরা জানি এর থেকে ছোট একটি গ্রহাণু আঘাত করার ফলে অনেক প্রাণী বিলুপ্ত হয়েছে।

অনেকেই ধারণা করছে এই গ্রহাণুকি মানবজাতিকে ধ্বংস করে দিবে?নাসা অনেকবার বলেছে এটা পৃথিবীকে আঘাত করবে না। ১০০ বছরে ৫০ হাজার বারের মধ্যে ১ বার পৃথিবীতে গ্রহাণু আছড়ে পড়ার  সম্ভাবনা দেখা দেয়।  ২০১৮ সালে একটি বড় গ্রহাণু পৃথিবীতে আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। তবে সেটি কান ঘেঁষে বেরিয়ে যায়।কোনওভাবে পৃথিবীর সঙ্গে সংঘর্ষ হলে গোটা মানবসভ্যতা কয়েক সেকেন্ডে ধ্বংস হয়ে যাবে।

২৯ এপ্রিল গ্রহাণু ধেয়ে আসছে পৃথিবীতে-ধ্বংস হবে মানবসভ্যতা ।আমরা নাসার কথাকে ধ্রুব সত্য বলতে পারিনা।আমাদের কাছে সত্য হল কুরআন এবং সুন্নাহ।আল্লাহ তায়ালার ইচ্ছা হলে এ গতিপথ পরিবর্তন হয়ে যেতে পারে। ভাইরাসের কারণে উমরা করা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।হজ্জ করাও বন্ধ করে দিতে পারে পরিস্থিতি খারাপ হলে।তাই হতে পারে এটাই হাদীসে বর্ণিত শেষ সময় অনেকের ধারণা।এ রমজানে না হউক অন্য রমজানে হাদীসের এই ঘটনা ঘটতে পারে।

তাই আমাদের বিশ্বাস রাখতে হবে, আল্লাহ সবকিছুর নিয়ন্ত্রণকারী। সকল সময় আল্লাহর কাছে পানাহ চাইতে থাকুন।হেফাজত করার  মালিক একমাত্র আল্লাহ তা’য়ালা।

ফেইসবুক,টুইটার, পিন্টারেস্ট, ইন্সটাগ্রামে লাইক কমেন্ট শেয়ার করুন।ধন্যবাদ সবাইকে।

Leave a Reply