চীনের মহাপ্রাচীরের ইতিহাস ( গ্রেট ওয়াল অব চায়না)

চীনের চীনের মহাপ্রাচীরের ইতিহাস ( গ্রেট ওয়াল অব চায়না)  সম্পর্কে সবাইই জানি। জনবহুল দেশ চীনে এই প্রাচীর  অবস্থিত। পৃথিবীর সপ্তাশ্চার্যগুলোর মধ্যে এটি একটি।

চীনের মহাপ্রাচীরের ইতিহাস ( গ্রেট ওয়াল অব চায়না)

চীনের মহাপ্রাচীরের ইতিহাস ( গ্রেট ওয়াল অব চায়না) অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে যে এত বিশাল আকারের প্রাচীর তৈরি করা হয়েছিল কেন? আজকে আমরা এই মহাপ্রাচীর এর ইতিহাস সম্পর্কে জানব।দেখে নিন প্রাচীরের উদ্দেশ্য,ইতিহাস আর এর সীমানা।

চীনের মহাপ্রাচীর  তৈরির উদ্দ্যেশ্য ঃ

চীনের মহাপ্রাচীর তৈরির উদ্দ্যেশ্য জানা গেছে ইতিহাস ঘেটে।মূল অংশের নির্মাণ শুরু হয়েছিল প্রায় খ্রিস্টপূর্ব ২০৮ ।

চীনের মহাপ্রাচীরের ইতিহাস ( গ্রেট ওয়াল অব চায়না)

দস্যুদের হাত থেকে চীনকে রক্ষার জন্য প্রাচীর তৈরি করা হয়েছিল। ২৪৬ খ্রিস্টপূর্বাব্দ তখন চীন বিভিন্ন খণ্ড রাজ্যে বিভক্ত ছিল। চীনের উত্তরে গোবি মরুভূমির পূর্বে  বাস করতো দুর্ধর্ষ মঙ্গলিয়রা। এদের কাজই হলো লুটতরাজ করা।আর তখনই সম্রাটের আদেশে চীনের প্রাচীর তৈরির কাজ শুরু হয়।

পোহাই উপসাগরের কূলে শানসীকুয়ান থেকে কানসু প্রদেশের চিয়াকুমান পর্যন্ত প্রাচীর তৈরি হয়। তৈরির সময় অনেক জায়গায় প্রায়ই ভেংগে পড়তো।চীনের প্রথম সম্রাট কিং সি হুয়াং এটি প্রথম ব্যবহার করেছিলেন।পুনঃ নির্মাণ করা হয়েছে।যার ফলে দেয়ালের বেশ কিছু অংশ ধ্বংসের সম্মুখীন হয়েছে। কিছু অংশ নাশকতার জন্যও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।কিছু অংশ ধ্বংস করা হয়েছিল দেয়াল পুনঃনির্মাণের জন্য।

মহাপ্রাচীরের ইতিহাস (গ্রেট ওয়াল অব চায়না)

মহাপ্রাচীরের ইতিহাস ( গ্রেট ওয়াল অব চায়না) হলোঃ খ্রিস্টপূর্ব ৫ম – ১৬শ শতক পর্যন্ত  চীনের উত্তর সীমান্ত রক্ষা করার জন্য তৈরি করা হয়েছিল। ২২১ খ্রিস্টপূর্বাব্দে কাজ শুরু হয়।১৬ বছর সময় লেগেছিল কাজ শুরু থেকে শেষ হতে । তৈরি করা হয় ইট আর পাথর দিয়ে। বর্তমান  প্রাচীরটি মিং রাজবংশের শাসনামলে নির্মিত হইয়েছিল।

মহাপ্রাচীরের ইতিহাস ( গ্রেট ওয়াল অব চায়না) হলো  পৃথিবীর  আশ্চর্য ও দীর্ঘতম প্রাচীর। দৈর্ঘ্যে প্রায় ২৬৯৫ কিলোমিটার এবং উচ্চতা ৪.৫৭ থেকে ৯.২ মিটার। প্রায় ১৫ থেকে ৩০ ফুট।প্রাচীরের চওড়া প্রায় ৯.৭৫ মিটার বা ৩২ ফুট। একসাথে ১২ জোড়া ঘোড়া একসাথে চলতে পারতো।গ

আমাদের সোশাল মিডিয়াগুলো

ফেইসবুক

টুইটার

ইন্সটাগ্রাম

পিন্টারেস্ট এ লাইক কমেন্ট এবং শেয়ার করুন।ধন্যবাদ সবাইকে।

 

Leave a Reply